ধর্মশাস্ত্র
আলমা ৫২


অধ্যায় ৫২

অমালিকীয়ার পদানুবর্তীতে অম্মোরোন লামানীয়দের রাজা হয়—মরনী, টিয়ানকূম এবং লেহী লামানীয়দের বিরুদ্ধে বিজয়ী যুদ্ধে নেফীয়দের নেতৃত্ব দেন—মূলেক শহর আবার দখল করা হয়, এবং সোরমীয় যাকোবকে হত্যা করা হয়। প্রায় ৬৬–৬৪ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে

এবং এখন, এটা ঘটলো নেফীর লোকেদের উপর বিচারকদের রাজত্বকালের ছাব্বিশতম বছরে, দেখো, যখন লামানীয়রা প্রথম মাসের প্রথম সকালে জেগে উঠলো, দেখো, তারা দেখতে পেলো যে অমালিকীয়া তার নিজের তাঁবুর মধ্যে মারা গেছে; এবং তারা আরও দেখলো যে টিয়ানকূম সেদিন তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত ছিলেন।

এবং এখন, যখন লামানীয়রা এটা দেখেছিলো তারা ভয় পেয়ে গিয়েছিলো; এবং তারা উত্তর দিকের ভূমিতে অগ্রসর হওয়ার পরিকল্পনা পরিত্যাগ করে, এবং তাদের সমস্ত সৈন্যবাহিনী নিয়ে মূলেক শহরে প্রস্থান করে, এবং তাদের দুর্গে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করে।

এবং এটা ঘটলো যে অমালিকীয়ার ভাই জনগণদের রাজা নিযুক্ত হলো; তার নাম ছিলো অম্মোরোন; এইভাবে রাজা অম্মোরোন, রাজা অমালিকীয়ার ভাই, তার পরিবর্তে শাসন করার জন্য নিযুক্ত হয়।

এবং এটা ঘটলো যে সে নির্দেশ দিয়েছিলো যে তার লোকদের সেই শহরগুলোকে অধিকার করে রাখতে হবে, যেগুলো তারা রক্তপাতের মাধ্যমে দখল করেছিলো; কারণ অনেক রক্তপাত ছাড়া তারা কোনো শহর দখল করতে পারতো না।

এবং এখন, টিয়ানকূম দেখলেন যে লামানীয়রা সেই শহরগুলোকে অধিকার করে রাখার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলো যেগুলো তারা দখল করেছিলো, এবং ভূমির যে অংশগুলো তারা দখল করেছিলো; এবং তাদের সংখ্যার বিশালতা দেখে, টিয়ানকূম ভেবেছিলেন যে তাদের দুর্গে তাঁর আক্রমণের চেষ্টা করা উচিত নয়।

কিন্তু তিনি তাঁর লোকদের চারপাশে ঘিরে রেখেছিলেন, যেনো যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছেন; হ্যাঁ, এবং সত্যিই তিনি তাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার জন্য প্রস্তুত ছিলেন, চারপাশে দেওয়াল তুলে এবং আশ্রয়ের জায়গা প্রস্তুত করে।

এবং এটা ঘটলো যে তিনি এইভাবে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন যতক্ষণ না মরনী তাঁর সৈন্যবাহিনীকে শক্তিশালী করার জন্য প্রচুর সংখ্যক সৈন্য পাঠান।

এবং মরনীও তাঁকে আদেশ পাঠান যে তাঁর অধীনে থাকা সমস্ত বন্দীদের তিনি যেনো আটকে রাখেন; কারণ যেহেতু লামানীয়রা অনেককে বন্দী করে নিয়ে গিয়েছিলো, যাতে যাদেরকে লামানীয়রা ধরে নিয়ে গেছে তাদের জন্য তিনি লামানীয় বন্দীদেরকে মুক্তিপণ হিসেবে আটকে রাখে।

এবং তিনি তাঁর কাছে আদেশও পাঠিয়েছিলেন যে তাঁকে প্রাচুর্য ভূমি শক্তিশালী করতে হবে, এবং উত্তর দিকের ভূমিতে নিয়ে যাওয়া সরু পথটা সুরক্ষিত করতে হবে, পাছে লামানীয়রা সেই অংশটাতে না পৌঁছে যেতে পারে এবং তাদের চারদিক থেকে হয়রানি করার ক্ষমতা না পায়।

১০ এবং মরনী তাঁর কাছে আরও আদেশ পাঠিয়েছিলেন, এই অনুরোধ করে যেনো তিনি সেই ভূমির অংশটা রক্ষণাবেক্ষণে বিশ্বস্ত থাকেন, এবং তিনি সেই অংশে লামানীয়দের আঘাত করার প্রতিটা সুযোগ খুঁজবেন, যতটা তাঁর ক্ষমতায় ছিলো, যাতে সম্ভবত তিনি কৌশলে বা অন্য কোনো উপায়ে সেই শহরগুলো আবার দখল করে নিতে পারেন যেগুলো তাদের হাত থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিলো; এবং যাতে তিনি চারপাশের শহরগুলোকে সুরক্ষিত ও শক্তিশালী করেন, যেগুলো লামানীয়দের হাতে পড়েনি।

১১ এবং তিনি তাঁকে আরও বললেন, আমি তোমার কাছে আসতাম, কিন্তু দেখো, লামানীয়রা পশ্চিম সমুদ্রের ধারে ভূমির সীমানায় আমাদের আক্রমণ করেছে; এবং দেখো, আমি তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ করতে যাচ্ছি, তাই তোমার কাছে আসতে পারবো না।

১২ এখন, রাজা (অম্মোরোন) সেরহমলার ভূমি ছেড়ে চলে গিয়েছিলো, এবং রাণীকে তার ভাইয়ের মৃত্যুর বিষয়ে জানিয়েছিলো, এবং বহু সংখ্যক সৈন্য একত্রিত করেছিলো, এবং পশ্চিম সমুদ্রের ধারে নেফীয়দের বিরুদ্ধে অগ্রসর হয়েছিলো।

১৩ এবং এইভাবে সে নেফীয়দের হয়রানি করার চেষ্টা করেছিলো, এবং তাদের বাহিনীর একটা অংশকে ভূমির সেই অংশ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য, যদিও সে যেই শহরগুলোকে দখল করেছিলো সেগুলোকে অধিকার করে রাখার জন্য যাদেরকে রেখেছিলো তাদেরকে সে আদেশ দিয়েছিলো, যে তাদেরকেও পূর্ব সমুদ্রের সীমানায় থাকা নেফীয়দের হয়রানি করতে হবে, এবং তাদের সৈন্যবাহিনীর শক্তি অনুযায়ী তাদের ভূমির দখল নিতে হবে যতটুকু তাদের অধীনে ছিলো।

১৪ এবং এইভাবে নেফীর লোকেদের উপর বিচারকদের রাজত্বকালের ছাব্বিশতম বছরের শেষ অবধি নেফীয়রা সেই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে ছিলো।

১৫ কিন্তু দেখো, বিচারকদের রাজত্বকালের সাতাশতম বছরে এটা ঘটলো, যে টিয়ানকূম, মরনীর আদেশ দ্বারা—যিনি ভূমির দক্ষিণ ও পশ্চিম সীমান্ত রক্ষা করার জন্য সৈন্যবাহিনী স্থাপন করেছিলেন, এবং প্রাচুর্য ভূমির দিকে তাঁর যাত্রা শুরু করেছিলেন, যাতে তিনি হারিয়ে যাওয়া শহরগুলো পুনরায় দখল করতে তাঁর সৈন্যদের সাথে টিয়ানকূমকে সহায়তা করতে পারেন—

১৬ এবং এটা ঘটলো যে টিয়ানকূম মূলেক শহরের উপর আক্রমণ করার, এবং সম্ভব হলে তা পুনরায় দখল করার নির্দেশ পেয়েছিলেন।

১৭ এবং এটা ঘটলো যে টিয়ানকূম মূলেক শহর আক্রমণ করার জন্য প্রস্তুতি নিলেন এবং তাঁর সৈন্যবাহিনী নিয়ে লামানীয়দের বিরুদ্ধে অগ্রসর হলেন; কিন্তু তিনি বুঝতে পারলেন যে তারা তাদের দুর্গে থাকা অবস্থায় তাদের পরাজিত করা অসম্ভব ছিলো; তাই তিনি তাঁর পরিকল্পনা ত্যাগ করেন, এবং মরনীর আগমনের অপেক্ষা করার জন্য, প্রাচুর্য শহরে আবার ফিরে আসেন, যাতে তাঁর সৈন্যবাহিনী আরও শক্তিশালী হতে পারে।

১৮ এবং এটা ঘটলো যে নেফীর লোকদের উপর বিচারকদের রাজত্বকালের সাতাশতম বছরের শেষের দিকে, মরনী তাঁর সৈন্যবাহিনী নিয়ে প্রাচুর্যের ভূমিতে পৌঁছেছিলেন।

১৯ এবং আঠাশতম বছরের শুরুতে, মরনী এবং টিয়ানকূম এবং অনেক প্রধান সেনাপতি যুদ্ধের একটা পরিষদের আয়োজন করেছিলেন—এই বিষয়ে যে তাদের কী করা উচিত লামানীয়দের তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামানোর জন্য; অথবা তারা যে কোনোভাবে তাদের প্রলুব্ধ করে তাদের দুর্গ থেকে বের করতে পারে, যাতে তারা তাদের উপর সুবিধা লাভ করতে পারে এবং মূলেক শহর পুনরায় দখল করতে পারে।

২০ এবং এটা ঘটলো তারা লামানীয়দের সৈন্যবাহিনীর কাছে বার্তাবাহক পাঠিয়েছিলো, যারা মূলেক শহরকে রক্ষা করেছিলো, তাদের নেতার কাছে, যার নাম ছিলো যাকোব, এই ইচ্ছা নিয়ে যে সে তার সৈন্যবাহিনী নিয়ে তাদের উভয়ের শহরের মধ্যবর্তী সমতল ভূমিতে তাদের সাথে দেখা করতে আসবে। কিন্তু দেখো, যাকোব, যে একজন সোরমীয় ছিলো, সে তার সৈন্যবাহিনী নিয়ে সমতল ভূমিতে তাদের সাথে দেখা করতে আসবে না।

২১ এবং এটা ঘটলো যে মরনী, নিরপেক্ষ ভূমিতে তাদের সাথে দেখা করার কোনো আশা রাখলো না, অতঃপর তিনি একটা পরিকল্পনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যাতে তিনি লামানীয়দের প্রলুব্ধ করে তাদের দুর্গ থেকে বের করে আনতে পারেন।

২২ তাই তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন যে টিয়ানকূম অল্প সংখ্যক সৈন্য নিয়ে সমুদ্রতীরের কাছে অগ্রসর হবেন; এবং মরনী ও তাঁর সৈন্যরা, রাতের বেলা, মূলেক শহরের পশ্চিমে প্রান্তরে অগ্রসর হয়েছিলেন; এবং এইভাবে, পরের দিন, যখন লামানীয়দের প্রহরীরা টিয়ানকূমকে খুঁজে পেয়েছিলো, তারা দৌড়ে গিয়ে তাদের নেতা, যাকোবকে জানিয়েছিলো।

২৩ এবং এটা ঘটলো যে লামানীয়দের সৈন্যবাহিনী টিয়ানকূমের বিরুদ্ধে অগ্রসর হয়েছিলো, অনুমান করে যে তাদের সংখ্যার দ্বারা টিয়ানকূমকে তাঁর সংখ্যার স্বল্পতার কারণে পরাজিত করবে। এবং টিয়ানকূম যখন লামানীয়দের সৈন্যবাহিনীকে তাঁর বিরুদ্ধে বেরিয়ে আসতে দেখেছিলেন তখন তিনি উত্তর দিকে সমুদ্রের তীরে পিছু হটতে শুরু করেছিলেন।

২৪ এবং এটা ঘটলো যে যখন লামানীয়রা দেখলো যে তিনি পালাতে শুরু করেছেন, তারা সাহস পেয়েছিলো এবং প্রবলভাবে তাদের তাড়া করেছিলো। এবং যখন টিয়ানকূম এইভাবে লামানীয়দেরকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন যারা তাদের নিরর্থক তাড়া করছিলো, দেখো, মরনী আদেশ দিয়েছিলেন যে তাঁর সৈন্যবাহিনীর একটা অংশ যারা তাঁর সাথে ছিলো তারা শহরের দিকে অগ্রসর হবে, এবং সেটা দখল করবে।

২৫ এবং এইভাবে তারা তা করেছিলো, এবং শহর রক্ষা করার জন্য যারা ছিলো তাদের সবাইকে হত্যা করেছিলো, হ্যাঁ, যারা তাদের যুদ্ধের অস্ত্র ত্যাগ করবে না।

২৬ এবং এইভাবে মরনী তাঁর সৈন্যবাহিনীর একটা অংশ নিয়ে মূলেক শহরটা দখল করেছিলেন, সেই সময়ে তিনি বাকিদের সাথে নিয়ে লামানীয়দের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য অগ্রসর হয়েছিলেন যখন লামানীয়রা টিয়ানকূমকে তাড়া করে ফিরে আসবে।

২৭ এবং এটা ঘটলো যে লামানীয়রা প্রাচুর্য শহরের কাছাকাছি না আসা পর্যন্ত টিয়ানকূমকে তাড়া করেছিলো, এবং তারপরে তারা লেহী এবং একটা ছোটো সৈন্যবাহিনীর বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিলো, যাদের প্রাচুর্য শহর রক্ষা করার জন্য রাখা হয়েছিলো।

২৮ এবং এখন দেখো, যখন লামানীয়দের প্রধান সেনাপতিরা লেহীকে তাঁর সৈন্যবাহিনী নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আসতে দেখেছিলো, তারা খুব বিভ্রান্ত হয়ে পালিয়ে গিয়েছিলো, পাছে মূলেক শহরে ঢোকার আগেই লেহী তাদের ধরে না ফেলে; কারণ তাদের পদযাত্রার জন্য তারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলো, এবং লেহীর সৈন্যরা সতেজ ছিলো।

২৯ এখন লামানীয়রা জানতো না যে মরনী তাঁর সৈন্যবাহিনী নিয়ে তাদের পিছনে ছিলেন; এবং তারা শুধু লেহী ও তাঁর সৈন্যদের ভয় পেয়েছিলো।

৩০ এখন তাদেরকে ধরার ইচ্ছা লেহীর ছিলো না যতক্ষণ না তারা মরনী এবং তাঁর সৈন্যবাহিনীর সাথে মুখোমুখি হয়।

৩১ এবং এটা ঘটলো যে লামানীয়রা দূরে পিছিয়ে যাওয়ার আগেই নেফীয়রা তাদের ঘিরে ফেলেছিলো, একদিকে মরনীর সৈন্যেরা এবং অন্যদিকে লেহীর সৈন্যদের দ্বারা, যাদের সকলেই সতেজ এবং শক্তিতে পরিপূর্ণ ছিলো; কিন্তু লামানীয়রা তাদের দীর্ঘ পদযাত্রার কারণে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলো।

৩২ এবং মরনী তাঁর সৈন্যেদের আদেশ দিয়েছিলেন যে তারা তাদের যুদ্ধের অস্ত্র ছেড়ে না দেওয়া পর্যন্ত তাদের আক্রমণ করে যেতে হবে।

৩৩ এবং এটা ঘটলো যে যাকোব, যেহেতু তাদের নেতা, ও একজন সোরমীয়ও ছিলো, এবং অপরাজেয় আত্মা থাকার কারণে, সে মরনীর বিরুদ্ধে অত্যধিক ক্রোধের সাথে যুদ্ধে লামানীয়দের নেতৃত্ব দিয়েছিলো।

৩৪ মরনী যেহেতু তাদের যাত্রাপথে ছিলেন, তাই যাকোব স্থির করেছিলো তাদের হত্যা করবে এবং মূলেক শহরে তার যাওয়ার পথ বের করবে। কিন্তু দেখো, মরনী এবং তাঁর সৈন্যরা আরও বেশি শক্তিশালী ছিলো; তাই তারা লামানীয়দের সেই পথ অবলম্বন করতে দেয়নি।

৩৫ এবং এটা ঘটলো যে তারা উভয় দল প্রচণ্ড ক্রোধের সাথে যুদ্ধ করেছিলো; এবং উভয় পক্ষের অনেকে নিহত হয়েছিলো; হ্যাঁ, এবং মরনী আহত হয়েছিলেন এবং যাকোব নিহত হয়েছিলো।

৩৬ এবং লেহী তাঁর শক্তিশালী সৈন্যদের নিয়ে খুব ক্রোধের সাথে তাদের পিছন থেকে আক্রমণ করেছিলেন, ফলে পিছনের দিকে লামানীয়রা তাদের যুদ্ধের অস্ত্রগুলো ত্যাগ করেছিলো; এবং তাদের অবশিষ্টাংশ খুব বিভ্রান্ত হওয়ায়, বুঝতে পারছিলো না কোন দিকে যাবে বা আক্রমণ করবে।

৩৭ এখন তাদের বিভ্রান্তি দেখে, মরনী তাদের বললেন: যদি তোমরা তোমাদের যুদ্ধের অস্ত্র সামনে নিয়ে এসে সেগুলোকে ত্যাগ করে দাও, দেখো আমরা তোমাদের রক্তপাত করা থেকে বিরত হবো।

৩৮ এবং এটা ঘটলো যে যখন লামানীয়রা এই কথাগুলো শুনেছিলো, তখন তাদের প্রধান সেনাপতিরা, যারা নিহত হয়নি, তারা এগিয়ে এলো এবং তাদের যুদ্ধের অস্ত্রগুলো মরনীর পায়ের কাছে নিক্ষেপ করেছিলো, এবং তাদের সৈন্যদেরকেও আদেশ করেছিলো যে তাদের সেই একই কাজ করতে হবে।

৩৯ কিন্তু দেখো, এমন অনেকে ছিলো যারা তাদের অস্ত্র ত্যাগ করতে চায়নি; এবং যারা তাদের তরবারি সমর্পণ করতে চায়নি তাদের ধরা হয়েছিলো এবং বাঁধা হয়েছিলো, এবং তাদের যুদ্ধের অস্ত্রগুলো তাদের কাছ থেকে নিয়ে নেওয়া হয়েছিলো, এবং তাদেরকে তাদের ভাইদের সাথে প্রাচুর্য ভূমিতে অগ্রসর হতে বাধ্য করা হয়েছিলো।

৪০ এবং এখন যাদেরকে হত্যা করা হয়েছিলো তাদের সংখ্যার চেয়ে বেশি বন্দীদের সংখ্যা ছিলো, হ্যাঁ, উভয় পক্ষের যারা নিহত হয়েছিলো তাদের চেয়েও বেশি।