ধর্মশাস্ত্র
মশিয়াহ ২৯


অধ্যায় ২৯

মশিয়াহ প্রস্তাব দেন যে একজন রাজার জায়গায় বিচারকদের নির্বাচিত করা হবে—অধার্মিক রাজারা তাদের জনগণকে পাপের দিকে নিয়ে যায়—জনগণের ভোটের দ্বারা কনিষ্ঠ আলমাকে প্রধান বিচারক নির্বাচিত করা হয়—তিনি মণ্ডলীর প্রধান যাজকও—জ্যেষ্ঠ আলমা এবং মশিয়াহ মারা যান। প্রায় ৯২–৯১ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে

এখন মশিয়াহ যখন তা হস্তান্তর করলেন তখন তিনি একটা ঘোষণা সকল ভূমিতে, সকল জনগণদের মধ্যে পাঠিয়ে দিলেন, তাদের ইচ্ছা জানার জন্য যে কে তাদের রাজা হবে।

এবং এটা ঘটলো যে জনগণের কন্ঠস্বর এলো যে, বললো: আমরা চাই আপনার পুত্র হারোণ আমাদের রাজা ও শাসক হোক।

এখন হারোণ নেফীর ভূমিতে গিয়েছিলেন, তাই রাজা তাঁকে রাজ্য প্রদান করতে পারেননি; হারোণও রাজত্ব গ্রহণ করতে চাননি; বা মশিয়াহের পুত্রদের মধ্যেও কেউ রাজত্ব গ্রহণ করতে রাজি ছিলেন না।

তাই রাজা মশিয়াহ আবার জনগণদের কাছে বার্তা পাঠালেন; হ্যাঁ, বিশেষভাবে একটা লিখিত বার্তা তিনি লোকদের মধ্যে পাঠিয়েছিলেন। এবং এই বাক্যগুলো ছিলো যা লেখা হয়েছিলো, এই বলে:

দেখো, হে আমার জনগণ, বা আমার ভাইয়েরা, যেহেতু আমি তোমাদেরকে এইভাবেই সম্মান করি, আমি চাই যে তোমরা সেই কারণটা বিবেচনা করো যা বিবেচনা করার জন্য তোমাদের ডাকা হয়েছে—কারণ তোমরা একজন রাজা পেতে আগ্রহী।

এখন আমি তোমাদের কাছে ঘোষণা করছি যে এই রাজ্যে যার ন্যায্য অধিকার রয়েছে সে তা প্রত্যাখ্যান করেছে, এবং সে রাজ্যের ভার নিজের উপর গ্রহণ করবে না।

এবং এখন যদি তার জায়গায় অন্য কাউকে নিয়োগ করা হয়, দেখো আমি ভয় পাচ্ছি যে তোমাদের মধ্যে বিবাদ হতে পারে। এবং কে জানে আমার পুত্র, যে এই রাজ্যের উত্তরাধিকারী, সে রাগান্বিত হবে এবং এই লোকদের মধ্যে একটা অংশকে তার নিজের সাথে নিয়ে যেতে পারে, যা তোমাদের মধ্যে যুদ্ধ ও বিবাদের কারণ হবে, যা অনেক রক্তপাতের কারণ হবে এবং প্রভুর পথকে বিকৃত করবে, হ্যাঁ, এবং অনেক লোকের আত্মাকে ধ্বংস করবে।

এখন আমি তোমাদের বলছি আমাদেরকে বিচক্ষণ হতে হবে এবং এই বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে, কারণ আমার পুত্রকে ধ্বংস করার কোনো অধিকার আমাদের নেই, বা তার জায়গায় অন্য কাউকে নিযুক্ত করা হলে তাকে ধ্বংস করার কোনো অধিকার আমাদের নেই।

এবং যদি আমার পুত্র আবার তার অহংকার এবং নিরর্থক জিনিসের দিকে ফিরে যায় এবং সে যা বলেছিলো তা অস্বীকার করে, এবং রাজ্যের কাছে তার অধিকার দাবি করে, যা তাকে ও এই লোকদের অনেক পাপ করতে বাধ্য করবে।

১০ এবং এখন আমরা বিচক্ষণ হই এবং এই জিনিসগুলোর জন্য অপেক্ষা করি, এবং এই জনগণের শান্তির জন্য যা কর্তব্য তা করি।

১১ সেইজন্য আমার অবশিষ্ট দিনে আমি তোমাদের রাজা হবো; তবুও, আসো, আমাদের আইন অনুসারে এই লোকদের বিচার করার জন্য আমরা বিচারক নিয়োগ করি; এবং আমরা এই লোকদের বিষয়গুলো নতুন ভাবে সাজাবো, কারণ আমরা বিচারক হিসেবে জ্ঞানী লোকদের নিয়োগ করবো, যারা ঈশ্বরের আজ্ঞা অনুসারে এই লোকদের বিচার করবে।

১২ এখন মানুষের বিচার মানুষের দ্বারা হওয়ার চেয়ে ঈশ্বরের দ্বারা হওয়া ভালো, কারণ ঈশ্বরের বিচার সর্বদা ন্যায়পরায়ণ হয়, কিন্তু মানুষের বিচার সর্বদা ন্যায়পরায়ণ হয় না।

১৩ অতএব, যদি তোমাদের পক্ষে ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিদের তোমাদের রাজা বানানো সম্ভব হয়, যারা ঈশ্বরের আইন প্রতিষ্ঠা করবে, এবং এই লোকদের তাঁর আজ্ঞাগুলো অনুসারে বিচার করবে, হ্যাঁ, যদি তোমাদের রাজা করার এমন লোক থাকতো যারা আমার পিতা বিন্যামীনের মতো কাজ করবে যা তিনি এই লোকদের জন্য করেছিলেন—আমি তোমাদের বলছি, যদি সর্বদা এমন হয় তাহলে তোমাদের উপর শাসন করার জন্য সর্বদা রাজা থাকাই উপযুক্ত হতো।

১৪ এবং এমনকি আমি নিজেও আমার সমস্ত ক্ষমতা ও দক্ষতা দিয়ে পরিশ্রম করেছি যা আমার অধীনে আছে, তোমাদেরকে ঈশ্বরের আজ্ঞাগুলো শেখাতে, এবং সমস্ত ভূমিতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে, যাতে কোনো যুদ্ধ বা বিবাদ, চুরি, লুণ্ঠন বা হত্যা না হয়, বা কোনো ধরনের অন্যায় না হয়;

১৫ এবং যে কেউ অন্যায় করেছে, আমি তাকে তার অপরাধ অনুসারে, সেই আইন অনুসারে শাস্তি দিয়েছি যা আমাদের পূর্বপুরুষদের দ্বারা দেওয়া হয়েছিলো।

১৬ এখন আমি তোমাদের বলছি, যেহেতু সব মানুষই ন্যায়পরায়ণ নয় তাই এটা উপযুক্ত নয় যে তোমাদের উপর শাসন করার জন্য একজন রাজা বা রাজাদের থাকা দরকার।

১৭ কেননা দেখো, একজন দুষ্ট রাজা কতো অন্যায় করতে বাধ্য করতে পারে, হ্যাঁ, এবং কতো বড়ো ধ্বংস করতে পারে!

১৮ হ্যাঁ, রাজা নোহ, তার দুষ্টতা ও তার জঘন্যতা, এবং তার লোকদের দুষ্টতা ও জঘন্যতাগুলোও স্মরণে রাখবে। দেখো, কি বিশাল ধ্বংসই না তাদের উপর নেমে এসেছিলো; এবং তাদের অন্যায়ের জন্য তাদের দাসত্বে আনা হয়েছিলো।

১৯ এবং যদি এটা তাদের সর্বজ্ঞানী সৃষ্টিকর্তার হস্তক্ষেপের জন্য না হতো, এবং তাদের আন্তরিক অনুতাপের কারণে না হতো, তারা অনিবার্যভাবে এখনও অবধি দাসত্বে থাকতো।

২০ কিন্তু দেখো, তিনি তাদের উদ্ধার করেছিলেন কারণ তারা তাঁর সামনে নিজেদের নম্র করেছিলো; এবং তারা তাঁর কাছে আন্তরিকতার সাথে মিনতি করেছিলো বলে তিনি তাদের দাসত্ব থেকে উদ্ধার করেছিলেন; এবং এইভাবে প্রভু মনুষ্য সন্তানদের মধ্যে সমস্ত ক্ষেত্রে তাঁর ক্ষমতা দিয়ে কাজ করেন, যারা তাঁর উপর আস্থা রাখে তাদের প্রতি করুণার হাত বাড়িয়ে দেন।

২১ এবং দেখো, এখন আমি তোমাদের বলছি, অনেক বিবাদ ও অনেক রক্তপাত ছাড়া তোমরা একজন অন্যায়কারী রাজাকে সিংহাসন থেকে সরাতে পারবে না।

২২ কারণ দেখো, তার অন্যায়ের সাথে তার সহযোগীরা আছে, এবং সে তার চারপাশে তার প্রহরীদের রাখে; এবং যারা তার আগে ধার্মিকতায় রাজত্ব করেছে তাদের আইনগুলোকে সে ধ্বংস করে; এবং সে ঈশ্বরের আজ্ঞাগুলোকে পদদলিত করে;

২৩ এবং সে আইন প্রণয়ন করে, এবং সেগুলোকে তার লোকদের মধ্যে প্রেরণ করে, হ্যাঁ, তার নিজের দুষ্টতার পদ্ধতি অনুসারে আইন; এবং যে তার আইন মান্য করবে না সে ধ্বংস হয়ে যাবে; এবং যে কেউ তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবে সে তার সৈন্যবাহিনীকে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠাবে, এবং পারলে সে তাদের ধ্বংস করবে; এবং এইভাবে একজন অধার্মিক রাজা সমস্ত ধার্মিকতার পথকে বিকৃত করে।

২৪ এবং এখন দেখো আমি তোমাদের বলছি, তোমাদের উপর এই ধরনের জঘন্যতা আসা উচিত নয়।

২৫ অতএব, বিচারকগণ, এই জনগণের ভোট দ্বারা, তোমরা মনোনীত, যাতে আমাদের পূর্বপুরুষদের দ্বারা তোমাদের দেওয়া আইন অনুযায়ী তোমাদের বিচার হয়, যা সঠিক, এবং যা প্রভুর হাতের দ্বারা তাদের দেওয়া হয়েছিলো।

২৬ এখন এটা সাধারণ নয় যে জনগণের ভোট যা সঠিক তার বিপরীত কিছু চায়; কিন্তু এটা স্বাভাবিক কম সংখ্যক জনগণের জন্য যেটা সঠিক নয় তা কামনা করা; অতএব তোমরা এটা পালন করবে এবং এটাকে তোমাদের আইন করবে—জনগণের ইচ্ছা অনুসারে তোমরা কাজ করবে।

২৭ এবং যদি এমন সময় আসে যে জনগণের ভোট অন্যায়কে বেছে নেয়, তবে এটাই সেই সময় যখন ঈশ্বরের বিচার তোমাদের উপরে আসবে; হ্যাঁ, তখনই এমন সময় আসবে যে তিনি তোমাদের কাছে মহা ধ্বংস পাঠাবেন যেমনটা তিনি পূর্বেই এই ভূমির বিরুদ্ধে পাঠিয়েছিলেন।

২৮ এবং এখন যদি তোমাদের বিচারক থাকে, এবং তারা সেই আইন অনুসারে তোমাদের বিচার না করে যা তাদের দেওয়া হয়েছে, তাহলে তোমরা উচ্চতর বিচারকের কাছে তাদের বিচার চাইতে পারো।

২৯ যদি তোমাদের উচ্চতর বিচারকরা ন্যায়সঙ্গতভাবে বিচার না করে, তাহলে তোমাদের ছোট বিচারকদের একটা ছোট সংখ্যককে একত্রিত করতে হবে, এবং তারা জনগণের ভোট অনুসারে তোমাদের উচ্চতর বিচারকদের বিচার করবে।

৩০ এবং আমি তোমাদের প্রভুর প্রতি ভয় রেখে এই কাজগুলো করার আদেশ দিচ্ছি; এবং আমি তোমাদের এই কাজগুলো করতে আদেশ করছি, এবং তোমাদের কোনো রাজা নেই; এই জনগণ যদি পাপ ও অন্যায় করে তবে তারা নিজেরাই দায়ী হবে।

৩১ কারণ দেখো আমি তোমাদের বলছি, অনেক লোকের অন্যায় তাদের রাজাদের অন্যায়ের কারণে হয়েছে; তাই তাদের অন্যায়ের জন্য তাদের রাজাদের দায়ী করা হবে।

৩২ এবং এখন আমি চাই যে এই অসমতা যেনো এই ভূমিতে আর না থাকে, বিশেষ করে আমার এই জনগণদের মধ্যে; কিন্তু আমি চাই যে এই ভূমিটা একটা স্বাধীনতার ভূমি হোক, এবং প্রত্যেক মানুষ তার অধিকার এবং বিশেষাধিকারগুলো সমানভাবে উপভোগ করতে পারে, যতক্ষণ পর্যন্ত প্রভু দেখেন যে আমরা বাস করতে এবং এই জমির উত্তরাধিকারী হতে উপযুক্ত হয়েছি, হ্যাঁ, এমনকি যতদিন না আমাদের বংশধরদের কেউ এই ভূমিতে বাস করে।

৩৩ এবং আরও অনেক কিছু রাজা মশিয়াহ তাদের কাছে লিখেছিলেন, তাদের কাছে একজন ধার্মিক রাজার সমস্ত কষ্ট ও দুঃখের কথা, হ্যাঁ, তাদের লোকেদের সমস্ত আত্মার যন্ত্রণা, এবং আরও তাদের রাজার কাছে লোকেদের সমস্ত বচসা প্রকাশ করেছিলেন; এবং তিনি তাদের কাছে সব ব্যাখ্যা করেছেন।

৩৪ এবং তিনি তাদের বললেন যে এই জিনিসগুলো হওয়া উচিত নয়; কিন্তু এর ভার সমস্ত লোকের উপর বর্তায়, যাতে প্রত্যেক মানুষই তার বোঝার অংশ বহন করতে পারে।

৩৫ এবং তিনি তাদের কাছে সেই সমস্ত ক্ষতির কথাও প্রকাশ করেছিলেন যা তাদের উপর আসতে পারে, যদি একজন অধার্মিক রাজা তাদের উপর শাসন করে;

৩৬ হ্যাঁ, তার সমস্ত অন্যায় কাজ ও জঘন্যতা, এবং সমস্ত যুদ্ধ, বিবাদ, রক্তপাত, চুরি, লুণ্ঠন, ব্যাভিচার এবং সমস্ত রকমের অন্যায় যা গণনা করা যায় না—তাদের বলেছিলেন যে এই জিনিসগুলো করা উচিত নয়, সেগুলো স্পষ্টভাবে ঈশ্বরের আজ্ঞার বিরুদ্ধে ছিলো।

৩৭ এবং এখন এটা ঘটলো, রাজা মশিয়াহ এই সব বিষয়গুলো জনগণের মধ্যে পাঠিয়ে দেওয়ার পর তারা তাঁর বাক্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছিলো।

৩৮ তাই তারা তাদের একজন রাজা পাওয়ার ইচ্ছা পরিত্যাগ করেছিলো, এবং সমস্ত ভূমিতে প্রত্যেক মানুষের সমান সুযোগ দিতে অত্যন্তভাবে আগ্রহী হয়ে উঠেছিলো; হ্যাঁ, এবং প্রত্যেক মানুষ তার নিজের পাপের জন্য জবাব দিতে ইচ্ছুক ছিলো।

৩৯ অতএব, এটা ঘটলো যে সমস্ত ভূমিতে তারা দলে দলে নিজেদেরকে একত্রিত করেছিলো, কে তাদের বিচারক হবে সেই বিষয়ে তাদের ভোট দিতে, তাদেরকে যে আইন দেওয়া হয়েছিলো সেই অনুসারে তাদের বিচার করতে; এবং তাদেরকে যে স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছিলো তার জন্য তারা অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছিলো।

৪০ এবং তাদের মশিয়াহের প্রতি ভালবাসা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিলো; হ্যাঁ, তারা তাঁকে অন্য কোনো ব্যক্তির চেয়ে বেশি সম্মান দিয়েছিলো; কারণ তারা তাঁকে একজন অত্যাচারী হিসেবে দেখেনি যে লাভের সন্ধান করছিলো, হ্যাঁ, সেই অর্থলোভের জন্য যা আত্মাকে দুর্নীতিগ্রস্ত করে; কারণ তিনি তাদের থেকে ধন-সম্পদ আদায় করেননি, রক্তপাতেও তিনি আনন্দিত হননি; বরং তিনি ভূমিতে শান্তি স্থাপন করেছিলেন, এবং তিনি তাঁর লোকদেরকে সব ধরণের দাসত্ব থেকে উদ্ধার করার অনুমতি দিয়েছিলেন; তাই তারা তাঁকে সম্মান করেছিলো, হ্যাঁ, অত্যন্তভাবে, পরিমাপের বাইরে।

৪১ এবং এটা ঘটলো যে তারা তাদের উপর শাসন করার জন্য বা আইন অনুসারে তাদের বিচার করার জন্য বিচারকদের নিযুক্ত করেছিলো; এবং তারা সমস্ত ভূমি জুড়ে এটা করেছিলো।

৪২ এবং এটা ঘটলো যে আলমাকে প্রথম প্রধান বিচারক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছিলো, তিনি মহাযাজকও ছিলেন, তাঁর পিতা তাঁকে পদটা অর্পণ করে দিয়েছিলেন, এবং তাঁকে মণ্ডলীর সমস্ত বিষয়ে দায়িত্ব দিয়েছিলেন।

৪৩ এবং এখন এটা ঘটলো যে আলমা প্রভুর পথে চলেছিলেন, এবং তিনি তাঁর আজ্ঞাগুলো পালন করেছিলেন, এবং তিনি ন্যায়সঙ্গতভাবে বিচার করেছিলেন; এবং ভূমিতে অবিরাম শান্তি ছিলো।

৪৪ এবং এইভাবে সেরহমলার সমস্ত ভূমি জুড়ে বিচারকদের রাজত্ব শুরু হয়েছিলো, সকল লোকের মধ্যে যাদের নেফীয় বলা হতো; এবং আলমা ছিলেন প্রথম এবং প্রধান বিচারক।

৪৫ এবং এখন এটা ঘটলো যে তাঁর পিতা বিরাশি বছর বয়সে মারা গেলেন, ঈশ্বরের আজ্ঞা পালন করে বেঁচে ছিলেন।

৪৬ এবং এটা ঘটলো যে মশিয়াহও মারা গেলেন, তাঁর রাজত্বকালের তেত্রিশ বছরে, তেষট্টি বছর বয়সে; লেহী যিরূশালেম ত্যাগ করার সময় থেকে এই পুরো সময়টা পাঁচশত নয় বছর হয়েছিলো।

৪৭ এবং এইভাবে নেফীর লোকেদের উপর রাজাদের রাজত্বের অবসান ঘটেছিলো; এবং এইভাবে আলমার দিন শেষ হয়েছিলো, যিনি তাদের মণ্ডলীর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।